০৫ জুলাই ২০১৬

গার্গী মুখার্জী

বৃষ্টি ভেজা

বৃষ্টি ভেজা আর্দ্র দিনের সকালবেলা
বুকেরমাঝে অঝোর ধারা করছে খেলা।  
বুকফাটা মাঠ শুকনো পাতা ভিজে
প্রাণ পেয়ে সে নাচছে নিজে নিজে।
নাচের তালে মাতিয়ে আপন পর 
ভাঙা বুকে কেউ গড়ে নতুন ঘর।
জলখেলা নদীর বুকে প্রাণের দোলা
বাউল ভোলায় ভুবন হয় আত্মভোলা।
বৃষ্টি সুখে মন ভিজে যায় বৃষ্টিবেলা 
প্রাণে লাগে প্রাণের পরশ বৃষ্টি খেলা। 




দেবাশিস বিশ্বাস (মুরারি)

শ্যামলী পাখির মতো

আকাশের তলে শ্যামলীর চোখে মুখে উচ্ছ্বাস,
ট্যাক্সি চেপে স্বপ্নের শ্বশুর বাড়ি ;
চারদিকে কুটুম্বের দল যেন বাধ ভাঙা নদী;
অদূরে সাগরের চোখে সাগর নেমেছে ;
জোড়াহীন একটি শালিখ সাগরের দিকে আড়চোখে চায়,
একটি ফড়িং নাকের ডগায় ঠোকা মারে ;
পুকুর জলের ডুমুর তলে একটি মোটা ধোড়াসাপ আড়মোড়া দেয় ;
সাগর অপলক !
হঠাৎ একটা চড়ুই-এর ফুড়ুৎ পাখার বাড়ি সাগরের মাথায়,
সম্বিত্-এ সাগর দেখে ব্যাংক্ অফিসারের হাতে শ্যামলীর হাত,
ট্যাক্সির গতি আশি ;
সাগর প্রশ্ন করে না ;
কেননা আকাশটা তার ছাদ
থামটা সে নিজে,
বসুন্ধরা ঘরের মেঝে;
শ্যামলী পাখির মতো ।