০২ সেপ্টেম্বর ২০১৬

মিন্টু দাস

নামহীন কবিতা

জলও জানে তার স্পর্শ
অ্যালকোহলের কটু গন্ধ
নারী শরীর... রক্তের স্বাদ।

ভাঙা কাঁচের বোতল
এফোঁড় ওফোঁড় করে দেয়
ঝাঁঝরা করে বুক।

দ্বিধা-দ্বন্দ্ব-লজ্জা-ভয়
মুখ লুকিয়ে বুক ফোলানোর গল্প
এই তো সবে শুরু।

পাপে বিষে বিষে
নীল হতে হতে
চলে বিষল্যীকরনীর খোঁজ।
শ্রীঘরে চার দেওয়ালের মধ্যে
হতে থাকে

শুদ্ধি করনের অ্যাবসার্ড ড্রামা।



তপোব্রত মুখোপাধ্যায়

দাগ

ছবি মানে আসলে এক-একটা দাগ। সে দাগের চলা, বলা আর আবেশ - যা মিথ্যে হতে হতে শেষ অব্দি একটা সত্যি ধরে রেখে ভবিষ্যৎ গোণে। অনেকটা কৈশোরের ঠিক পরেই সন্তানকে হাত ছেড়ে দেবার মতো। যার কথা আছে, তার যে শব্দ থাকবেই সে সকলেই জানে, তবু কিছু ভয় শুধু বাঁধতেই জানে - ছবি তার ওপারের কথা। সে কথা চুপ হলেও তার নিজের কিছু কান আছে, প্রাণ আছে শুনবার। যে শোনে, যারা- তারা একে একে দুই, দুয়ে দুয়ে চার গোণে। অথচ গোটা দুই জুড়ে যে বিশ এসে বসল তেঁতুল পাতায়, গোটা চার জুড়ে যে সংসার - সে কথা মেনেও মানল না।


যে ফোনটা কেটে গেল, তার রিংটোনটুকু থাকে অন্ততঃ। কেটে যাবার ব্যস্ততাটুকুও। যে দাগটা ময়লা বলে মুছে গেল, তার না পড়া ইতিহাসটুকু...