০৪ অক্টোবর ২০১৪

রৌপ্য রায়


একুশ বছর আগে
              

একুশ বছর আগে
জন্মের আঁতুর ঘরে দেখেছি তোমায়
জানালার গারদ ভেঙে এসে বসেছিলে পাশে
রুপকথার গল্পের মতো
মায়ের আচঁল সরিয়ে মিশে ছিলে অঙ্গে তৃপ্তির তারুন্যে
একুশ বছরের নারীর মতো
আমি তখন নবজাত শিশু
চোখ চিরে দেখে ছিলাম স্বপ্নের মতো ।।
আজ আতুঁর ঘর ভেঙে উঠেছে অট্টালিকা জানালার গারদ ও নেই
কংকিটে বাঁধানো মস্ত দেওয়াল
মা ও নেই
তুমি ও আসো না
প্রতি রাতে চোখ চিরে দেখি আকাশে
তোমার তৃপ্তি তারুন্য ।।






সানাউল্লাহ সাগর


প্রেমতলা



প্রেমতলার যুঁতসই একটা গল্প ছিলো যা আসমানে উড়ে জমিনেও হাঁেট

কিন্তু দূভাগ্য কাকড়ার নকশীকাথা ছাড়া আর কিছুই পেলাম না। শুধু

নড়িয়ার বুক পকেটে পুরানো অর্থের অজ্ঞাত বসবাস আর আফ্সোসের

সিথানে র্নিঘুম নাবালক প্রেমিক।


তখনো নায়িকাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি জাজিরা- নাওডুবায়। তাও

প্রেমতলার শরীরে মোলায়েম স্পর্শে কামের উষ্ণতা জেগে উঠেছিলো।

অশরীরী মাদকতায় হেসেছে ঘাসের ডালপালা।


এরপর থেকে বিবস্ত্র প্রেমতলার বুকজুড়ে স্বপ্ন স্বপ্ন ঘুম মুছে গেলো। আর

শান্ত উরু জুড়ে সহাস্যে তাকিয়ে থাকলো সমুদ্রের ঢেউ। আজকাল আমার

চিন্তাজুড়ে শুধুই প্রেমতলা- বিয়োগে বিয়োগে দেউলিয়া যে টালীজীবন

তাকে প্রেমতলার গল্প শুনাই। আর ছইহীন মনের নাওয়ে জোছনার

কামকলা আঁকি।