১৭ ডিসেম্বর ২০১৪

সমীরণ

হাওয়ার গায়ে লেখা


সেদিন ভোরে আটকে ছিল হাওয়া
আঁজলা বেয়ে নামে বিষাদ জল
ভুবনডাঙাও ঝাপসা হয়ে আসে
স্তব্ধ হল শহর, কোলাহল ....

এইতো সেদিন গুনগুনিয়ে গান
ক’দিন আগেও ‘দুপেগ ঢালো গ্লাসে’
সেদিন রাতেও নীরার কথা ভেবে
উৎকণ্ঠা বুকের নীচে ভাসে

মধ্যরাতে পোশাক গায়ে তার
ভীষণ গভীর অন্ধকারে বাস
থামলো এসব চোখের কিনার ছুঁয়ে
মৌন হল শাসনপ্রিয় শ্বাস

প্রিয় শহর ধুলি বসন গায়ে
ব্যালকনিতে একলা হয়ে যাওয়া
ছাইদানিতে রইলো পড়ে ছাই
উড়তে থাকে আটকে থাকা হাওয়া ....



১০ ডিসেম্বর ২০১৪

মোহাম্মদ সৌরভ হোসেন

মানুষপোড়া ছাই-এ গড়া মানুষ


মানুষপোড়া ছাই দিয়ে মানুষ গড়েছো কখনও ?
রঙ তো কতই নড়াঘাটা করলে। রঙ বদলের পালা
কত ঢিলই না ছুঁড়ল । মানুষপোড়া ছাই-এর গন্ধটা
আর কত শুঁকবে ? নদীও আর কত সহ্য করবে ?
এত উর্বরতা দিল নদী । সভ্যতা । ফসল । ডিঙি । আর  
তোমরা দিলে ছাই । ছাই পুড়লে কী হয় ? তারও
একটা নাম দেওয়া দরকার । প্রজাতি এবং
গোত্র – দুটোরি সেক্স থাকতে হবে ।
লিঙ্গ নির্ধারণ করার দায়িত্ব বেশ্যাদের ।
এত খোসা উদড়ানোর পিঁয়াজ, রাঁধুনিরও নেই ।
শ্মাশানে ছাইয়ের ঘাটতি পড়লে – মধ্যপ্রাচ্যে যেও
ক্ষেপণাস্ত্রে পোড়া ছাই আরও বেশি মানুষ মানুষ মনে হবে
কলমাপড়া গর্ভে কতই তো মানুষের জন্ম দিলে । এবার
মানুষপোড়া ছাই দিয়ে একটা মানুষ গড়ো । আর
সে মানুষটাকে জিজ্ঞেস করো --
সে আর কখন ও পুড়তে চায় কি না ?
মানুষপোড়া ছাই-এ গড়া মানুষ সম্ভবত ‘না’-ই বলবে ।