২৫ মার্চ ২০১৭

অরূপম মাইতি

প্রতিনিধি

আমার (পুরাতন) বাড়ির জানলা দিয়ে
সকালে-বিকেলে, তাকে রোজ দু’ বার দেখি

চোখে-মুখে ক্লান্তি, কপালে অনেক ভাঁজ
পূর্বাপর অনিশ্চিত লক্ষ্যের দিকে ছুটে চলেছে
বারবার দেখলে মনে হবে
যন্ত্রবৎ মানুষ এক
ঠিকানা লেখা চিরকুট, হাতে গুঁজে দিলে
গোঁৎ খাওয়া ঘুড়ির মত
হয়ত সেদিকেই হাঁটা দেবে

এবার পূজোর ছুটিতে
দুর্গাপুর থেকে দিদির ছেলে এসেছিল
টুকুনকে জানলায় ডেকে
তাকে দেখালাম

একুশ বছরের বোনপোর মুখে
সে পথিকের এক নতুন ব্যাখ্যা শুনলাম

প্রচুর পরাজয়ের বোঝা কাঁধে
উদ্ধত জয়ের কাছে মাথা হেঁট করে
চলেছে সে, আমাদেরই প্রতিনিধি
লড়াইয়ের পথ ছাড়েনি এখনও
আমাদের সঙ্গে তার

এইটুকু তফাৎ

প্রসেনজিৎ দাস

বদলে গেছো জয়িতা

জয়িতা,তুমি অনেক বদলে গেছো!
তোমার সেই শ্যামলতার আভাস আর নেই:
নেই ভালোবেসে বুকে জড়িয়ে নেবার মত শক্তি।
তোমার পাদস্পর্শে আজও শিউরে উঠি,
সাইক্লোন বয়ে যায় চারিদিকে,
             আর;
চারদিক থেকে বিক্ষিপ্ত এলোমেলো ঢেউ গুলো-
আছড়ে আছড়ে পড়ে আমার চারিদিকে।
কাগজে-কলমে ঝলসে ওঠে তোমার অভিব্যক্তি,
তোমার মুক্ত অধরের স্পন্দন ;
মুক্ত বাতায়ন দিয়ে এখনো ভেসে আসে       পারফিউমের সুগন্ধ ।
মনে হয় আর কিছুই বদলে যায়নি-
শুধু তুমি বদলেছো জয়িতা,

                       শুধু তুমি....