১০ জুলাই ২০১৫

গার্গী মুখার্জী

বৃষ্টি পরশ 


বৃষ্টি মেঘের পরশ মেখে 
সিক্ত মন ও প্রাণ 
সবুজবনে লাগল দোলা 
এলো খুশির বান। 

মেঘ জেগেছে আপন ঢংয়ে  
আপন সুরে তালে,
বর্ষারানি ভুবন মাতায় 
আপন রূপের জালে। 

চিকনপারা কচিপাতা 
পুকুর ভরা জল, 
নদীর বাঁকে জলের দোলা 
ছুটছে কল কল। 

বর্ষারানি প্রেমের খেলায় 
ভুলে আপন পর 
মেঘের বুকে স্তর জমিয়ে 
বানায় নিজের ঘর।  






দীননাথ মণ্ডল

হিয়ার মাঝে 


নির্ঝর দৃষ্টি শত  আলোকবর্ষ  পেরিয়ে 
ক্ষুধার বিতল তৃষ্ণায় 
মনের অবিরত প্রেষণায় 
ফল্গুধারা রবে ছুটে কেন্দ্র ছাড়িয়ে। 

দিগন্ত প্রসারিত অভ্রভেদী উন্মুক্ত বাহু 
খোঁজে ভাষা নীলচোখে 
কাঁপা কাঁপা বুকে 
মৃগমদ চেতনার বুভুক্ষ রাহু। 

কুয়াশা শরীরে চন্দ্রালোকের বিভূতি 
পদ্মলোচনে অনুপমা 
অপরূপের উপমা 
শিহরণে তুলে শরৎ মেঘের স্মৃতি। 

দু'নয়নের ছলোছলো অভিমানে 
গোধূলিবেলার চঞ্চু 
রবে নীরবে না বলে কিছু 
ভাঙাবো মান মধুর বাক্যবাণে। 

হিয়ার পরশে হিয়া মোর তরে 
মিলিবে একসাথে 
নয়নের সম্পাতে 
খুঁজিব মোর শত জন্মের প্রিয়ারে।