২৯ এপ্রিল ২০১৭

মৌসুমী রায় ঘোষ

বলিরেখা

আদিম গুহার অন্ধকার দেওয়ালে
পৃথিবীর প্রথম শিল্পীর আঁচড়ে মিশে আছে বলিরেখা
অন্দিতে সন্ধিতে গাঁথা অভিঞ্জতা নদী
অসম্ভবের কাহীনি গর্ভে নিয়ে
বয়ে যায় অজানা গন্তব্যে
নদী মেশে নদীতে
শেষ নেই কোনো
মাঝে মধ্যে চলকে ওঠে অভিঞ্জতা
ভিজিয়ে দেয় পাড়ের কালো বালি
জটিল-কাদা-কাদা-সোঁদাগন্ধ ভরা
পাতাঝাঁঝি, প্ল্যাঙ্কটন আর সবুজ
সৃষ্টি করে থমথমে রহস্য
পিচ্ছিলতার কারনে রহস্য-সংক্রমন হয়
জরা আর বলিরখার এখানেই মিল
দুজনে জুবুথুবু বসে দূরে চেয়ে থাকে নিষ্পলক
একটা ছবি ক্যানভাসে ফুটে ওঠে
সূর্যাস্তের সূর্য ডোবা

অথবা-- শেষ সূর্যরশ্মি

সুবীর সরকার

জাদু

ক
।
জাদুর ভঙ্গিমা জানি
। শুকিয়ে যাওয়া
জলধারায় কে আর নৌকো ভাসাবে!
#
এত এত নিমকাঠ
।ব্যঞ্জনধ্বনি।

খ
।
ঘূর্ণিজলে শামুক ঝিনুক
বাঘপুলের গায়ে মেঘের
            ছায়া
হাওয়ায় দুলছি
।
না ঘুমিয়ে কাটিয়ে দেয়া
      তিন তিনটি রাত
এ কাহিনির কোন শুরু নেই
আলো নিভিয়ে দিন
বন্ধ করুন বাক্সের
           মুখ